• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ লালমনিরহাটে ওসির অপসারণ দাবি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পরে ছাত্রলীগের এক নেতা গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল খাগড়াছড়িতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগ, আহত ৬ সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের এপিএস হাসনাত কারাগারে

শরীয়তপুরে খাসজমি থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কার্যালয় উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের সুবচনী বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে নির্মিত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুটি দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাফিস এলাহীর নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

উচ্ছেদের সময় শ্রমিক দিয়ে বিএনপির টিনশেড কার্যালয়টি ভেঙে ফেলা হয় এবং পরে একটি এক্সকাভেটরের সাহায্যে আওয়ামী লীগের একতলা পাকা ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্র জানায়, রুদ্রকর ইউনিয়নের ১০৩ নম্বর চর লক্ষ্মীনারায়ণ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমির ওপর সুবচনী বাজার অবস্থিত। এর একটি অংশ তোহা বাজার শ্রেণির জমি। প্রায় ৪০ বছর আগে ওই খাসজমির ২১২ নম্বর দাগে টিনের ঘরে আওয়ামী লীগের কার্যালয় স্থাপন করা হয়। পরে সেখানে একতলা পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। গত বছর একই এলাকায় টিন দিয়ে বিএনপির একটি কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারের ওই অংশে কৃষকেরা আগে কৃষিপণ্য বিক্রি করতেন। দলীয় কার্যালয় নির্মাণের কারণে তারা সেখানে বসতে পারছিলেন না এবং সড়কের ওপর বসে পণ্য বিক্রি করতে হচ্ছিল।

রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান ঢালী বলেন, প্রশাসন কোনো নোটিশ না দিয়েই বিএনপির কার্যালয় ভেঙে দিয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজনের চাপের মুখে আওয়ামী লীগের কার্যালয়টিও ভেঙে ফেলা হয়। তবে ভাঙা নির্মাণসামগ্রী এখনো অপসারণ করা হয়নি, এতে মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।

রুদ্রকর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কৃষিপণ্য বিক্রির জায়গা দখল করে দুটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় নির্মাণ করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। শিগগিরই ভাঙা নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হবে।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd