• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি কেন একসঙ্গে তিন ফ্রন্ট খোলার ঝুঁকি নিচ্ছে জামালপুর কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু চট্টগ্রামে ডিসি অফিসের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ–যুবলীগের মানববন্ধন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, জামায়াতের বিষয়ে কী অবস্থান? আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইতিহাসের প্যারাডক্স ভোটের আগের রাতে সভাপতি প্রার্থীর বাড়িতে পুলিশ, সরে যেতে বলার অভিযোগ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ঝুঁকিগুলো কী সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ২ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ–সংক্রান্ত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল পাস আদালত চত্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ঘিরে আইনজীবীদের দুই পক্ষে হট্টগোল, উত্তেজনা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দীর্ঘ ১৮ মাস পর গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে উপজেলা সদরের চৌরঙ্গীতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পতাকা উড়তে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল ছয়টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় তাঁরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’; ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। পতাকা উত্তোলনের ছবি রিয়াজ আহম্মেদ ও তরিকুল ইসলামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হলে তা ছড়িয়ে পড়ে।

ফেসবুকে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের তিনটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, তিনজন তরুণ কার্যালয়ের সাইনবোর্ডের পাশে একটি সবুজ পাইপে দুটি জাতীয় পতাকা এবং অপর একটি পাইপে দলীয় পতাকা টাঙাচ্ছেন। পরে তাঁদের কার্যালয়ের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে একজনকে বলতে শোনা যায়—আজ থেকে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে রোববার বিকেলে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সকালে পতাকা উত্তোলনের খবর তিনি পেয়েছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তী সময়ে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। ১৮ মাস ধরে উপজেলা কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল এবং প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd