• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ লালমনিরহাটে ওসির অপসারণ দাবি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পরে ছাত্রলীগের এক নেতা গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল খাগড়াছড়িতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগ, আহত ৬ সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের এপিএস হাসনাত কারাগারে

বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দূরত্ব সংঘাতে রূপ নিলে আওয়ামী লীগ লাভবান হবে: মঞ্জু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দূরত্ব সংঘাতে রূপ নিলে আওয়ামী লীগ লাভবান হবে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত এবি পার্টির এক সংগঠক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মজিবুর রহমান মঞ্জু এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক গোলাম ফারুক। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মহানগর সদস্যসচিব সৈয়দ আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ১৯৯১ সালে জামায়াতের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছিল। পরবর্তী সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক তৈরি হয় এবং একাধিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও আত্মপর্যালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০১ সালে বিএনপি ও জামায়াত আবারও জোটবদ্ধ হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক আন্দোলনে একে অপরের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করে।’

মজিবুর রহমান মঞ্জু আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উভয় দল আবারও মুখোমুখি অবস্থানে চলে যাচ্ছে। এই দূরত্ব যদি সংঘাতে রূপ নেয়, তবে তা স্বাভাবিকভাবেই পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে লাভবান করবে।

মঞ্জু বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘাতমুখী পরিস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রবণতা এখনই নিয়ন্ত্রণ না করা হলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।’

মজিবুর রহমান মঞ্জু আরও বলেন, পুলিশকে দলীয় বাহিনী হিসেবে ব্যবহারের অতীত প্র্যাকটিস আবার ফিরে আসার শঙ্কা দেখা দিচ্ছে। একই সঙ্গে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সরকারের পশ্চাদপসরণ ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

সমাবেশে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এবি পার্টিকে শক্তিশালী ও বিস্তৃত করার জন্য নেতাদের প্রতি দিকনির্দেশনা দেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক যায়েদ হাসান চৌধুরী, এবি যুব পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান নূর, তৌহিদ হোসেন, যুব পার্টির সদস্যসচিব মুহাম্মদ জাবেদ, শ্রমিকনেতা মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ চৌধুরী, বাকলিয়া থানা সহসমন্বয়ক মোহাম্মদ আজগর, সঞ্জয় চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, আরশাদ হোসাইন, নুরুল ইসলাম, যুবনেতা নাজমুল হোসেন, মুহাম্মদ মুরাদ, কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd