• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ লালমনিরহাটে ওসির অপসারণ দাবি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পরে ছাত্রলীগের এক নেতা গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল খাগড়াছড়িতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগ, আহত ৬ সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের এপিএস হাসনাত কারাগারে

সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

পৃথক তিন মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। জামিন চেয়ে তাঁর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ জামিন দেন।

মমতাজের বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে। ফলে এখনই তিনি কারামুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক আইনজীবী।

লোকগানের শিল্পী মমতাজ বেগম একাধিকবার মানিকগঞ্জ–২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সংসদ সদস্য ছিলেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছরের ১২ মে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হয় ও কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকার কয়েকটি থানায় হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

এর মধ্যে আশুলিয়া থানার একটি হত্যা মামলা ও একটি হত্যাচেষ্টা মামলা এবং মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক তিনটি আবেদন করেন মমতাজ বেগম।

আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন, সঙ্গে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রমজান আলী শিকদার ও মোতাহার হোসেন সাজু এবং আইনজীবী মোসা. খায়রুন নেছা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নাহিদ হোসেন ও মো. মাসুদুল আলম দোহা।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd