• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান একটি জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর সেখানে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই শনিবার ওই পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশটির পেট্রোলিয়াম স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর আগে সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের এলাকার আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার মেঘ উড়তে দেখা গেছে। আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং তেল মজুদ ও বাণিজ্য কেন্দ্র ফুজাইরাহ। এর আগেও দেশটির এই জ্বালানি এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল ইরান। ওই বন্দরে বিশাল তেল রপ্তানি টার্মিনালও রয়েছে।

অনলাইন দেওয়া এক বিবৃতিতে আমিরাতের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। এ সময় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট কোনও স্থানের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের প্রায় সব অপরিশোধিত তেল এই খারগ দ্বীপের মাধ্যমেই রপ্তানি হয়। ট্রাম্প এই দ্বীপের তেল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছিলেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকেও ফুজাইরাহতে জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলা হয়েছিল এবং তখনও প্রতিহত করা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন লেগেছিল বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর বিভিন্ন তেল ও গ্যাসক্ষেত্র এবং বিশাল শিল্পাঞ্চলে এসব হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে সৌদি আরবের বিশাল ‌রাস তনুরা শোধনাগার, কাতারের রাস লাফান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রুওয়াইস শোধনাগারও রয়েছে।

এছাড়া ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হতো।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd