• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

৩০-৩৫ শতাংশ শ্রমিকের বেতন-বোনাস না হওয়া উদ্বেগজনক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমদ বলেছেন, ঈদুল ফিতর বাঙালি মুসলমানের প্রধান উৎসব। এই ঈদের সঙ্গে অনেক ধরনের আনন্দ, আবেগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে থাকে। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির কাছে অন্য সদস্যদের নানা আবদার থাকে। ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ কারখানার শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানার বোনাস দেওয়া হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সোমবার (১৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তেও বেতন-বোনাস পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে, পরিবারের ছোট সন্তানরা মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে। অবিলম্বে আজ ও কালকের মধ্যে সবার বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে হবে। মাসের ১৬ তারিখ হয়ে গেলেও কেন বেতন বাকি রাখা হলো এবং ঈদের পাঁচ দিন আগেও কেন বোনাস দেওয়া হলো না, তা জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শ্রমিকের প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে এমন গড়িমসিকে শাস্তির আওতায় আনা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের নজরদারির অভাব রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সক্রিয় হলে এবং কারখানা মালিকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে ১৫ রোজার মধ্যেই তারা বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে বাধ্য হতো। কিন্তু মালিকরা ধনিক শ্রেণির হওয়া এবং তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে সরকার এ বিষয়ে উদাসীন থাকে। ফলে প্রতিবছর ঈদ এলেই শ্রমিকদের দেনা-পাওনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা কোনো কোনো বছর সহিংস আন্দোলনের জন্ম দেয়। নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল যে, তারা অন্তত এবার শ্রমিকদের পাওনা সময়মতো আদায়ের ব্যবস্থা নেবে। সময়মতো না হলেও এখনও সুযোগ আছে; দ্রুততারসঙ্গে বকেয়া বেতন-ভাতা আদায়ের ব্যবস্থা নিন।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd