• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা দুই বড় দলের ইনসিকিউরিটি: মাহফুজ আলম তোফায়েল আহমেদ আর নেই বাউফলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সরকারের মতো বিএনপি পুলিশকে দলদাসে পরিণত করছে: হাসনাত আবদুল্লাহ হত্যা মামলায় কারাবন্দী সাতক্ষীরার সাবেক পিপির মৃত্যু ‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগে সায় নেই, অপেক্ষাতেই দল জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের দাফন সম্পন্ন আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ হয়ে ডুবেছে, জাতীয় পার্টি কি আর উঠতে পারবে এজাহারে নাম নেই, তবু সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে শরীয়তপুরের এসএসসি পরীক্ষার্থী

অর্থ লেনদেনে অনিয়ম, ইনডেক্স এগ্রোর পরিচালকসহ ৩ জনকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইনডেক্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আর্থিক লেনদেনে প্রায় ২ কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তদন্তে উঠে এসেছে। এই অনিয়মে জড়িত থাকায় কোম্পানির একজন পরিচালকসহ তিনজনকে অর্থদণ্ড করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। 

বিএসইসির মার্চ মাসের এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশন প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএসইসির তদন্তে দেখা যায়, কোম্পানিটি তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইনডেক্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সঙ্গে প্রায় ২ কোটি টাকার রিলেটেড পার্টি লেনদেন করেছে, যা নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক হিসাবমান অনুযায়ী এ ধরনের লেনদেন প্রকাশ বাধ্যতামূলক।

এ ঘটনায় ইনডেক্স এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহিন বিন মাজহারকে ৫ লাখ টাকা, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ইকবাল আহমেদকে ১ লাখ টাকা এবং কোম্পানি সচিব আবু জাফর আলীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিএসইসির পরিদর্শন দল কোম্পানির প্রধান কার্যালয় ও চারটি কারখানা পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে এসব অনিয়ম শনাক্ত করে।

তদন্তে আরও দেখা যায়, ইনডেক্স অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক উভয়েই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় যুক্ত থাকায় এটি স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাতের উদাহরণ। কিন্তু এ তথ্যও আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এ ছাড়া নির্মাণ ও সিভিল কাজের আদেশ অনুমোদনের ক্ষেত্রেও অনিয়ম পাওয়া গেছে। কিছু ক্ষেত্রে অনুমোদিত কর্মকর্তার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি, কিছু কাজে প্রতিযোগিতামূলক কোটেশন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান জি কিবরিয়া অ্যান্ড কো. তাদের প্রতিবেদনে কোনো রিলেটেড পার্টি লেনদেন হয়নি বলে উল্লেখ করলেও বিএসইসির তদন্তে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে, যা নিরীক্ষা প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বিএসইসি বলেছে, এ ধরনের তথ্য গোপন রাখা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভ্রান্তিকর এবং সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের শামিল। শুনানিতে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd