• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

ঈদের ছুটিতে সারাদেশে সহিংসতায় জামায়াতের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

ঈদের ছুটিতে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বিএনপির হামলা, সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতি দিয়েছেন।

সোমবার (২৩ মার্চ) বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২১ মার্চ পবিত্র ঈদের দিন ও ঈদের ছুটিতে মানুষ যখন আনন্দ, দোয়া ও ইবাদতে নিমগ্ন ছিল, ঠিক সেই সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসব ঘটনায় চুয়াডাঙ্গায় ২ জন, সিরাজগঞ্জে ১ জন, বরিশালে ১ জন এবং পাবনায় ১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এসব হামলা, লুটতরাজ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। আমি এই খুন ও সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বিএনপির এই ধরনের ধারাবাহিক সহিংসতা, খুন-খারাবি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা গণতন্ত্র, রাজনৈতিক শিষ্টাচার এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অবিলম্বে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, পবিত্র ঈদের দিনে মানুষের ওপর জুলুম ও অত্যাচারের যে ধারা বিএনপি সৃষ্টি করেছে, তা অতীতের দুঃসময় ও পতিত স্বৈরাচারের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সরকার যদি সন্ত্রাসীদের লাগাম টেনে না ধরে, তাহলে জনগণ রাজপথে এর জবাব দেবে।

উল্লেখ্য, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৩ জন মানুষকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে জামায়াতের ৩ জন নেতাকর্মী রয়েছেন। আমরা সব হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd