• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

পঞ্চগড়ে জামিনে মুক্তির পরপরই কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

পঞ্চগড় জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কারাবন্দী এক নেতার জামিনে মুক্তির পরপরই মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ওই ব্যক্তি আগে থেকেই কারা কর্তৃপক্ষের অধীন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মারা যাওয়া ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম হারুন অর রশিদ (৫১)। তিনি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চিংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা, ছিলেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পঞ্চগড় জেলা কৃষক লীগের সদস্য।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হারুন অর রশিদ গত বছরের ১৬ অক্টোবর একটি এনআই অ্যাক্টের (চেক ডিজঅনার) মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে কারাগারে এসেছিলেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা ছিল।

বৃহস্পতিবার রাতে পঞ্চগড় জেলা কারাগারের জেলার আখেরুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, গত বুধবার সকালে হারুন অর রশিদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেই অনুযায়ী দিনাজপুর জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধানে তাঁকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জামিন পান। জামিনের বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জানতে পেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠায়।

হারুন অর রশিদের ভাগনে সুমন ফিরোজ বলেন, ‘আমার মামা দিনাজপুর জেলা কারাগারের কারারক্ষীদের পাহারায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর হার্ট ব্লক হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে দিনাজপুর জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামাকে মুক্ত করে দেন। এর কিছুক্ষণ পরই বিকেল ৪টা ৭ মিনিটে আইসিইউতে চিকিৎসক আমাদের ডেকে মামাকে মৃত ঘোষণা করেন।’


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd