• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

যদি ফ্যাসিস্ট প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ দিতে পারি, তাহলে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিতে অসুবিধা কোথায়: সংসদে জামায়াতের সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা বলেছেন, কোনো ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্টের দোসরকে ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য জনগণ ভোট দেয়নি। যদি ফ্যাসিস্ট প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ দিতে পারি, তাহলে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিতে অসুবিধা কোথায়।

সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা এ কথা বলেন। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন হয়।

বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে মাছুম মোস্তফা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, যদি আজ সেই আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই সংসদে থাকতেন, তিনি চুপ্পু সাহেবকে (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) এই সংসদে কিছুতেই ধন্যবাদ দিতেন না।’

জামায়াতের এই সদস্য বলেন, ‘আজ ১৯৭২ সালের সংবিধানের দোহাই দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, জনগণের সরকার যদি গঠন করা হয়, এই সংবিধান ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে আমাদের এক কলিগ বলেছেন, বাহাত্তরের সংবিধান একাত্তরের পরাজয়ের দলিল; কিন্তু দেশের মানুষ মনে করে, ’বাহাত্তরের সংবিধান বাকশাল কায়েমের দলিল, ফ্যাসিজম কায়েমের দলিল।’

মাছুম মোস্তফা বলেন, আজ জুলাই সনদ নিয়ে বলা হচ্ছে, জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের মানুষ মনে করে, এর মধ্যে একটি শুভংকরের ফাঁকি রয়েছে। জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়ে সেটির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আর তার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে কেটে ফেলে দিয়ে এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দ্বারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হবে না।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd