• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা দুই বড় দলের ইনসিকিউরিটি: মাহফুজ আলম তোফায়েল আহমেদ আর নেই বাউফলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সরকারের মতো বিএনপি পুলিশকে দলদাসে পরিণত করছে: হাসনাত আবদুল্লাহ হত্যা মামলায় কারাবন্দী সাতক্ষীরার সাবেক পিপির মৃত্যু ‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগে সায় নেই, অপেক্ষাতেই দল জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের দাফন সম্পন্ন আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ হয়ে ডুবেছে, জাতীয় পার্টি কি আর উঠতে পারবে এজাহারে নাম নেই, তবু সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে শরীয়তপুরের এসএসসি পরীক্ষার্থী

হত্যা মামলায় কারাবন্দী সাতক্ষীরার সাবেক পিপির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

তিনটি হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা সাতক্ষীরায় জেলা জজ আদালতের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবদুল লতিফ মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোররাত চারটার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

আবদুল লতিফের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামে। তিনি জেলা জজ আদালতের সাবেক পিপি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকা থেকে ছেলে রাসেলসহ আবদুল লতিফকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলা করা হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার দুলাল কর্মকার বলেন, গতকাল রোববার রাত তিনটার দিকে কারাগারের ভেতরে অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল লতিফ। দ্রুত তাঁকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ভোর চারটার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবদুর রহমান বলেন, রাত সাড়ে তিনটার দিকে বুকে ব্যথা নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর চারটার দিকে তিনি মারা যান।

আবদুল লতিফের মেয়ে শাম্মি আক্তার বলেন, তাঁর বাবা ও ভাইকে খুলনার বয়রা এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হবে। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd