• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মেহেরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি, ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ চিৎকার শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা দুর্বল ব্যাংকের ‘পাত্র চাই’ ও পুরোনো নওশার আগমন চট্টগ্রামে লাল টুপি পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল বিরোধীদের নিশ্চিহ্নের চেষ্টা কোরো না, এই পরামর্শ কোনো দল শোনেনি: রওনক জাহান শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সোয়াল বিএনপি কেন একসঙ্গে তিন ফ্রন্ট খোলার ঝুঁকি নিচ্ছে জামালপুর কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু চট্টগ্রামে ডিসি অফিসের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ–যুবলীগের মানববন্ধন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, জামায়াতের বিষয়ে কী অবস্থান? আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইতিহাসের প্যারাডক্স

ইবিতে ভর্তি হতে বিড়ম্বনায় ভর্তিচ্ছুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২২

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে সাক্ষাৎকার শেষে ভর্তি হতে বিড়ম্বনায় পড়েছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। ফি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা দেখেন একই রসিদে একদিকে পরিবহন ফি এবং অন্যদিকে পরীক্ষার ফি লেখা রয়েছে। তারা বুঝতে পারছেন না এটি কিসের রসিদ। এ কারণে বিপাকে পড়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারাও।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সাক্ষাৎকার শেষে ভর্তি হতে এসে এমনই বিড়ম্বনায় পড়েন ভর্তিচ্ছুরা।

জানা গেছে, ভর্তির সব কার্যক্রম শেষে ব্যাংকে ফি প্রদানের সময় শিক্ষার্থীদের বেতন জমা দেওয়ার রসিদ বহি দেওয়া হয়। বহিতে থাকা রসিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ও ভর্তি পরবর্তী যাবতীয় ফি পরিশোধ করে থাকেন। এতে শিক্ষার্থীদের পরিবহন ফি প্রদানের রসিদে হিসাব বিভাগের অংশে ‘পরীক্ষার ফি’ লেখা রয়েছে। ফলে বড় ধরণের জটিলতার আশঙ্কা করছেন ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিভাগের কর্মকর্তারা।

Dhaka Post

দুই মাস আগে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য তিন হাজার কপি বহি ছাপানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং মেশিন নষ্ট থাকায় সবগুলো বহি বাইরের প্রেস থেকে ছাপানো হয়েছে বলে জানা গেছে। রসিদের এই ভুলকে ‘প্রিন্টিং মিস্টেক’ দাবি করছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। দায়িত্বরতদের ঠিকভাবে তদারকির অভাবে ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাবেক প্রেস প্রশাসক।

বহি বানানোর দায়িত্বে থাকাদের একজন একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার আলিবুদ্দিন খান বলেন, আমরা কয়েকজন বহি বানানোর দায়িত্বে ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসে ছাপানোর জন্য বলে থাকি, তারা ছাপিয়ে দেয়। আমি ভুলটি দেখিনি, শুধু শুনেছি। আমি পারিবারিক কাজে ছুটিতে আছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এমদাদুল আলম বলেন, এটার একটা কমিটি ছিল তারা ভুল করেছে। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকের ম্যানেজারকে বলেছি, জমা হওয়া রসিদগুলোর ভুল অংশে কলম দিয়ে কেটে ঠিক করতে। এ ছাড়া একটি সিল বানানোর অর্ডার দিয়েছি। বাকি রসিদ বহিগুলোতে ভুল অংশটি কেটে সিল মেরে দেওয়া হবে।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd