• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

ইবিতে ভর্তি হতে বিড়ম্বনায় ভর্তিচ্ছুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২২

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে সাক্ষাৎকার শেষে ভর্তি হতে বিড়ম্বনায় পড়েছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। ফি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা দেখেন একই রসিদে একদিকে পরিবহন ফি এবং অন্যদিকে পরীক্ষার ফি লেখা রয়েছে। তারা বুঝতে পারছেন না এটি কিসের রসিদ। এ কারণে বিপাকে পড়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারাও।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সাক্ষাৎকার শেষে ভর্তি হতে এসে এমনই বিড়ম্বনায় পড়েন ভর্তিচ্ছুরা।

জানা গেছে, ভর্তির সব কার্যক্রম শেষে ব্যাংকে ফি প্রদানের সময় শিক্ষার্থীদের বেতন জমা দেওয়ার রসিদ বহি দেওয়া হয়। বহিতে থাকা রসিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ও ভর্তি পরবর্তী যাবতীয় ফি পরিশোধ করে থাকেন। এতে শিক্ষার্থীদের পরিবহন ফি প্রদানের রসিদে হিসাব বিভাগের অংশে ‘পরীক্ষার ফি’ লেখা রয়েছে। ফলে বড় ধরণের জটিলতার আশঙ্কা করছেন ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিভাগের কর্মকর্তারা।

Dhaka Post

দুই মাস আগে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য তিন হাজার কপি বহি ছাপানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং মেশিন নষ্ট থাকায় সবগুলো বহি বাইরের প্রেস থেকে ছাপানো হয়েছে বলে জানা গেছে। রসিদের এই ভুলকে ‘প্রিন্টিং মিস্টেক’ দাবি করছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। দায়িত্বরতদের ঠিকভাবে তদারকির অভাবে ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাবেক প্রেস প্রশাসক।

বহি বানানোর দায়িত্বে থাকাদের একজন একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার আলিবুদ্দিন খান বলেন, আমরা কয়েকজন বহি বানানোর দায়িত্বে ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসে ছাপানোর জন্য বলে থাকি, তারা ছাপিয়ে দেয়। আমি ভুলটি দেখিনি, শুধু শুনেছি। আমি পারিবারিক কাজে ছুটিতে আছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এমদাদুল আলম বলেন, এটার একটা কমিটি ছিল তারা ভুল করেছে। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকের ম্যানেজারকে বলেছি, জমা হওয়া রসিদগুলোর ভুল অংশে কলম দিয়ে কেটে ঠিক করতে। এ ছাড়া একটি সিল বানানোর অর্ডার দিয়েছি। বাকি রসিদ বহিগুলোতে ভুল অংশটি কেটে সিল মেরে দেওয়া হবে।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd