• বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইলে সিদ্দিকী ও খান পরিবারের মধ্যে বিরোধ লাগিয়ে রাখতেন আরেক নেতা, ফেসবুকে অডিও ভাইরাল সালথায় দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে হামলা, ঘরবাড়িতে লুটপাট–অগ্নিসংযোগ ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন মারা গেছেন আলমডাঙ্গায় ৪ ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ফেরা নিয়ে উত্তেজনা, এক ইউপিতে সংঘর্ষ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না আ.লীগপন্থীরা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আইনজীবীদের ‘আওয়ামী স্টাইলে’ দেশ পরিচালনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে: সংসদে জামায়াতের রফিকুল ইসলাম বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হতে পারে, প্রশ্ন জামায়াতের আজহারুল ইসলামের হারিকেন ও টর্চ জ্বালিয়ে নেত্রকোনায় যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভিডিও ভাইরাল ফেনীতে বন্দুক-কার্তুজসহ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ

ধর্ষণের অভিযোগে সেনা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

সহকর্মীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুজ্জামান আশার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। 

সোমবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ সাবেরা সুলতানা খানমের আদালতে ভুক্তভোগী নারী মামলার আবেদন করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

মামলার আবেদনে অপর দুই আসামি হলেন, আশরাফুজ্জামান আশার স্ত্রী ফারহানা আশরাফ সুমি ও বোন নাসিমা পারভীন পলি।

মমালার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে জেলে যাওয়ার পর তিনি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বসবাস করতে থাকেন। এ সময় বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আশরাফুজ্জামান আশা দায়িত্বে থাকাকালীন তাকে আশ্বস্ত করেন যে তিনি নিরাপদে থাকতে পারবেন। কিন্তু গত ৭ জুন রাত আনুমানিক ৮টায় আশরাফুজ্জামান তার বাসায় গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা ভুক্তভোগীর মেয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।

১০ জুন অভিযুক্ত আশরাফুজ্জামান ভুক্তভোগীকে কৌশলে কাজী অফিসে নিয়ে গিয়ে তার স্বামীকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য করেন এবং পরদিন ১১ জুন ভয়ভীতি দেখিয়ে দশ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তাকে বিয়ে করেন। এর কিছুদিন পর ভুক্তভোগী শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পরলে প্রেগন্যান্সি কিট ব্যবহার করে জানতে পারেন তিনি গর্ভবতী এবং বিষয়টি আশরাফকে জানান।

পরে ৬ জুলাই আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাকে গর্ভপাত ঘটানোর চেষ্টা করে এবং শারীরিক নির্যাতন চালায়। ‎এরপর একাধিকবার আশরাফুজ্জামান ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগীরকে বাসা ছাড়তে হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের ভয় দেখায়। গত ২৪ জুলাই সিএমএইচ-এ ডাক্তার ভুক্তভোগীর ৬ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করেন। কিন্তু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে পরদিন ২৫ জুলাই তার গর্ভপাত ঘটে।

পরে ১০ আগস্ট আসামি আশরাফ ভুক্তভোগীর বাসায় গিয়ে তাকে ও তার মেয়েকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন এবং বাসা ছাড়তে হুমকি দেন। পরবর্তীতে ১৭ আগস্ট ভুক্তভোগী ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে আদালতে যেতে বলেন।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd