বরিশাল নগরীতে পুলিশের কাছ থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এসআই জয়ন্ত দাস বাদী হয়ে ৫৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ এবং বাকিদের অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারী) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম।
তিনি জানান, গ্রেফতারদের মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সকালে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
গ্রেফতাররা হলো, ছিনতাই হওয়া আসামি নগরীর ভাটারখাল এলাকার শহিদ কাজী, ছিনতাইকারী স্বপন বেপারী, পারভেজ বেপারী, পারুল বেগম, তারেক শাহ, অলি আহমেদ এবং রাজিব খান।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল নগরীর ভাটারখাল এলাকায় ডিসিঘাট সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে পিকনিক করছিল স্পীডবোট মালিক সমিতি। সেখানে ছিলেন মাহেন্দ্রা চালক শহিদুল ইসলাম কাজী। তার বিরুদ্ধে লঞ্চঘাট এলাকায় একজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। খবর পেয়ে এসআই জয়ন্ত দাস অভিযান চালিয়ে শহিদুলকে গ্রেফতার করেন। এ সময় স্বপন, পারভেজ, পারুল বেগম, তারেক শাহ, অলি আহমেদ এবং রাজিব খানসহ প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি শহিদুল ইসলাম কাজীকে হ্যান্ডকাপসহ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় এসআই জয়ন্ত দাসের ওয়্যারলেসও ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরে অভিযান চালিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে হ্যান্ডকাপ ও ওয়্যারলেসসহ শহিদুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আলী আশরাফ ভূঁঞা বলেন, ছিনিয়ে নেওয়া আসামিকে হাতকড়াসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ওয়্যারলেস। যারা ছিনিয়ে নিয়েছে তাদের মধ্যে ছয়জন গ্রেফতার হয়েছে। তাছাড়া রাতেই পুলিশ বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা করেছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।