• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরায় আ.লীগ ও যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ভোলাগামী লঞ্চ থেকে দুই নেতা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আশঙ্কা নেই, তবে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের ঝটিকা মিছিল ফেনীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, মুখে মাস্ক পরে অংশ নেন ২০ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে মশালমিছিলের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ থেকে তিনজন আটক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কি না, স্পষ্ট করতে বললেন রুমিন সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ তিন মামলায় জামিন পেলেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশালমিছিল, ছাত্রদলের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

আলুর ভালো ফলন হলেও লোকসানের আশঙ্কায় চাঁদপুরের কৃষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

গত কয়েক মৌসুমে আলু চাষিরা ভালো ফলন ও দামে সন্তুষ্ট হয়েছিল। গত মৌসুমের মতো লাভের আশায় এবার ধারদেনা ও ঋণ করে বেশি পরিমাণে আলু চাষ করে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষকরা।

এই মৌসুমে শুরুতে আলুচাষিরা কেজিতে ১২০-১৩০ টাকা পর্যন্ত দাম পেয়ে কিছুটা লাভবান হলেও বর্তমানে আলুর কেজি ১৪-১৫ টাকা হওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। তাতে আলু চাষিদের লাভের আশা তো দূরের কথা, ধারদেনা ও ঋণ পরিশোধ নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আলু চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত মৌসুমে আলু চাষে বেশি পরিমাণে লাভ হওয়ার কারণে এই মৌসুমে অনেক আলু চাষ করেছে কৃষকরা। সার, কীটনাশক ও বীজের দাম অনেক বেশি হওয়ায় বর্তমান বাজারে আলু বিক্রি করে লোকসান হচ্ছে কৃষকের। গত বছর আলুতে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৩০-৪০ হাজার টাকা। তবে এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৫০-৬৫ হাজার টাকা।

আলু চাষি মোহর আলী জানান, গত বছর আলুর বীজের দাম ছিল সর্বোচ্চ ৪০-৪৫ টাকা পর্যন্ত। এ বছরে বীজের দাম বেড়ে ১২০ টাকা পর্যন্ত এসেছিল। এতে গত বছরের তুলনায় আলুর উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হওয়ার কারণে বর্তমানে কৃষকরা প্রতি বিঘা জমিতে লোকসান হচ্ছে প্রায় ২০-৩০ হাজার টাকা। এ বছর জমি থেকে কৃষকরা আলু বিক্রি করেছে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা এবং সর্বনিম্ন আলু বিক্রি হয়েছে ১২ টাকা।

আলু চাষি জায়েদ আলী জানান, এ বছর দুই বিঘা জমিতে গ্যানুলা জাতের আলু চাষ করেছি। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। জমিতে আলু পেয়েছি ১৩০-১৩৫ মণ। তাতে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। এ বছর লোকসান হয়েছে ৪৫ হাজার টাকা। ভালো ফলন হওয়ার কারণে এত দাম পেয়েছি। না হলে আরও বেশি লোকসান হতো।

আলু চাষি ইব্রাহিম হোসেন জানান, আমি এবার ঋণ নিয়ে আলুর চাষ করেছিলাম লাভের আশায়। তবে এবার আলুর বাজার দর অনুযায়ী অনেক টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। এখন লোকসান কোথা থেকে দেবো তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ জানান, এ উপজেলা অন্য উপজেলার চেয়ে আলুর উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে। চলতি বছর আলুর লক্ষ্যমাত্রা ছিল, ১৮২৫ হেক্টর। কিন্তু এ উপজেলায় আলুর চাষাবাদ হয়েছে, ১৮৬৯ হেক্টর জমিতে। বর্তমানে আলু ঘরে তোলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি শুরুর আগেই আলু উত্তোলনের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।


আরো পড়ুন:
bdit.com.bd